
মসজিদ শুধু মুসলমানের ‘উপাসনালয়’ নয়, বরং তা ইসলামী জীবনব্যবস্থা ও মুসলিম সভ্যতার প্রাণকেন্দ্র। ইসলামের সোনালি যুগে মসজিদ থেকে পরিচালিত হতো ইসলামী সমাজ ও রাষ্ট্রের যাবতীয় কাজ।মুসলিম উম্মাহর ধর্মীয় জীবনে মসজিদের প্রভাব অপরিসীম। মুসলিম সমাজের জ্ঞানচর্চা, ধর্মীয় অনুশীলন থেকে শুরু করে সামাজিক ঐক্য ও সম্মিলিত কর্মকাণ্ডের অনেকটাই মসজিদের ওপর নির্ভরশীল। তাই মসজিদকে প্রাণবন্ত ও সজীব রাখার দায়িত্বও ইসলাম মুসলমানের ওপর অর্পণ করেছে।প্রতিটি মসজিদ আল্লাহর ঘর। আল্লাহর ইবাদত ও দ্বিনি কাজই শুধু সেখানে অনুমোদিত। ইসলামী শরিয়তবিরোধী এবং ইবাদতের পরিবেশ নষ্ট হয় এমন কোনো কাজ মসজিদে করা যাবে না। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই মসজিদগুলো আল্লাহর জন্য। সুতরাং আল্লাহর সঙ্গে কাউকে ডেকো না।’ (সুরা : জিন, আয়াত : ১৮)
কিন্তু পরিতাপের বিষয় বর্তমান সময়ে মসজিদের সেই মেম্বার থেকে হক কথা গুলো তেমন আর শোনা যায়না,,,
