এটাই সবচেয়ে বড় বাস্তবতা


ফেসবুকে এক দুই দিন না লিখে দেখুন তেমন কিছুই হবেনা। দেখবেন দুনিয়া আগের মতই চলছে। বছরের পর বছরও যদি অনলাইনে না থাকেন কারও কিছুই হবেনা।

অনলাইন থেকে যদি দুই দিন অবসর নিয়ে অফলাইনে আসেন, দেখবেন দুনিয়া ঠিকই চলছে, গাড়ির চাকা ঘুরছে, দোকানপাটও খুলছে।

আমার ফ্রেন্ডলিস্টে কিছু মানুষের আইডি এখনো আছে যারা নিজেরা দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছেন অনেক আগে। আমি তাদেরকে তালিকায় রেখে দিয়েছি এবং মাঝেমধ্যে তাদের টাইমলাইনে ঘুরাঘুরি করি। অবাক হয়ে দেখি তাদের এক্টিভিটি। তারাও দিনে তিন চারটি স্ট্যাটাস লিখতেন এবং প্রচুর লাইক কমেন্ট ঝুলিতে ভরতেন। আজ তারা অনলাইনে নেই। দুনিয়ায় অফলাইনেও নেই। আখেরাতের যাত্রী!

আপনার মৃত্যু ঠিক সময়মতোই উপস্থিত হবে। আগেও না পরেও না। লাইফ লাইন অতিক্রম করলেই তা হাজির হবে।

ফেসবুককে, অনলাইনকে কোনোভাবেই জীবনের মূল উপাদান হিসেবে ভাবা উচিত না। ছাকরাত, কবর, কিয়ামত, মিজান, পুলসিরাত ইত্যাদি স্থানে নিজে একাকী সফর করতে হবে। কারও লাইক, কমেন্ট কাজে আসবেনা। কেউ করবেওনা। আল্লাহর সাহায্য ছাড়া এসব স্থান নিরাপদে অতিক্রম করা অসম্ভব।

আমাদেরকে তাই সেই মহাশক্তির দিকেই ফিরে আসা উচিত। ক্ষমা প্রার্থনা করা উচিত সব সময় এবং বারবার।

Published by Muhsin Ali

I am a student. I study in Univercity of dhaka. Political science.

Leave a comment

Design a site like this with WordPress.com
Get started